Electrical & Electornics Engineering(EEE), IUT

  • What is EEE?

বিদ্যুৎ উৎপাদন, স্থানান্তর ও বিতরন এবং এর সাথে সম্পর্কিত যন্ত্রঃ যেমন ট্রান্সফর্মার, জেনারেটর, মোটর প্রভৃতি ডিজাইন ও মেইন্টেনেন্স নিয়েই ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।

বিভিন্ন ধরনের IC দিয়ে তৈরি ডিভাইসঃ যেমন ট্রানজিস্টার, ডায়োড, ট্রান্সমিটার, রেডিও-টেলিভিশন থেকে শুরু করে স্মার্টফোন, আইপ্যাড, নোটপ্যাড, ল্যাপটপ তৈরি ও ডিজাইন নিয়ে কাজ হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং।

এছাড়া মাইক্রোইলেক্ট্রনিক্স, ন্যানোটেকনোলজি, টেলিকম্যুনিকেশন প্রভৃতি বিষয়ও এই সাবজেক্টে পড়ানো হয়। চাপ, তাপমাত্রা, প্রবাহ ইত্যাদি ফিজিক্যাল কোয়ান্টিটি পরিমাপের সেন্সর ও মিটার ডিজাইন নিয়ে কাজ করা ইন্সট্রুমেন্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ও এই বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত। অত্যাধুনিক কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ডিজাইন ও মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজের ব্যবহারও এই বিষয়ে পড়তে হয়।

আই ইউ টি তে মূলত দুটি ফ্যাকাল্টি রয়েছে । তার মাঝে Faculty of Engineering and Technology এর আওতাধীন হচ্ছে Electrical and Electronic Engineering. আইইউটিতে ৬ টি ডিপার্টমেন্ট এর মাঝে সর্ববৃহৎ হচ্ছে EEE ডিপার্টমেন্ট । এই ডিপার্টমেন্টে রয়েছে ২৬ বছরের অধিক সময় এর সুদীর্ঘ ঐতিহ্য ।

  • TOTAL SEATS:

১ . Full OIC scholarship: বাংলাদেশীদের মধ্যে যারা ভর্তি পরীক্ষায় মেধাতালিকায় প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অধিকার করবে তারা Full OIC scholarship পাবে । এটা মূলত ভর্তির উপর নির্ভর করে । দেখা গেল যে যারা প্রথম দ্বিতীয় হয়েছে তারা যদি ভর্তি না হয় তাহলে সিরিয়াল অনুযায়ী পরের দুজন এই সুযোগ পাবে ।

২. PARTIAL OIC SCHOLARSHIP: মেধাতালিকার স্থান অর্জনের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশী স্টুডেন্ট এর মধ্যে 40 জন PARTIAL OIC SCHOLARSHIP পাবে । এটা মূলত ভর্তির উপর নির্ভর করে ।

৩. SELF-FINANCED: যারা সম্পূর্ণ নিজ খরচে পড়তে চাই তাদের জন্য সর্বমোট ১০০ টি সিট বরাদ্দ রয়েছে ।

এছাড়া বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ টি সিট বরাদ্দ রয়েছে।

  • COURSE STRUCTURE AND COURSE CONTENTS:

আই ইউ টি EEE তে মোট ৮ টি সেমিস্টার এ ১৮২ Credit পড়ানো হয় যেটি বাংলাদেশ এ সকল EEE department এর মধ্যে সর্বোচ্চ এবং আই ইউ টি তে যেহেতু ৩ বছর ১০ মাস এ স্নাতক সম্পন্ন করা হয় , সে কারণে পড়ালেখার চাপ টাও তুলনামূলকভাবে বেশি।

পুরো চার বছরের EEE কোর্স সম্বন্ধীয় যাবতীয় তথ্য এই লিংকে পাওয়া যাবে

https://eee.iutoic-dhaka.edu/eee-catalogue

  • Subject Demand:

যে সকল বিষয়ের ব্যাপক চাহিদা অতীতেও সব সময় ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে, তার মধ্যে EEE একটি। সবচেয়ে পুরোনো এবং প্রচলিত ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়গুলোর মধ্যে ইইই অন্যতম আভিজাত্যের অধিকারী।

তোমার যদি উদ্ভাবনী ক্ষমতা থাকে, আর থাকে লেগে থাকার ইচ্ছা তবে তুমি ইইই পড়ে অনেক বড় কিছু করে দেখাতে পারবে। প্রকৌশলিক invention সবচেয়ে চমকপ্রদভাবে দেখানোর উপযুক্ত জায়গা হলো ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং।

যে সব সেক্টরের সাথে সাবজেক্টটি সরাসরি সম্পৃক্ত সেগুলো হলো :

  1. Power (পাওয়ার)

2.Electronics (ইলেকট্রনিক্স)

  1. Communication (কমিউনিকেশন)

যেখানেPower, Electronics এবংCommunication কে ফোকাস করে প্রয়োজনীয় ধারণাকে সংমিশ্রিত করে গঠিত EEE বিষয়টি।

1.Power সেক্টর যা বিদ্যুত উৎপাদন আর সরবরাহের দায়িত্বে থাকে। এই সেক্টরের চাহিদা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই মুহুর্তে প্রচুর। চাহিদা পুরোনের জন্য প্রতি বছরই নতুন নতুন বিদ্যুত কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠার কারণে কাজের পরিধি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই সেক্টরের পুরো দায়িত্বই থাকে ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারদের হাতে। যারা নিজেকে একজন Power management engineer হিসেবে দেখতে চাও, তারা নিঃসঙ্কোচেEEE নিতে পারো ।

  1. Electronics নিয়েও সবাই হালকা পাতলা কিছু জানো। Resistor, Capacitor Inductor এসবের নাম তোমরা শুনে এসেছ।এখনকার সময়ে তোমরা যত ডিভাইস দেখ, তার বেশিরভাগই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট দিয়ে ডিজাইন করা। স্মার্টফোন, আইপ্যাড, নোটপ্যাড, ল্যাপটপ সবগুলোই ইলেক্ট্রনিক্সের অবদান। Microcontroller এর নাম হয়তো কেউ কেউ শুনে থাকবে। রোবটিক্স নিয়ে পড়াশোনার ব্যাপক ইচ্ছা যাদের, তাদের জন্য microcontroller হলো একেবারে শুরুর ধাপ। তবে হ্যা, এদিক দিয়ে আগাতে হলে অবশ্যই পরিশ্রমী আর উদ্যমী হতে হবে।যাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা বেশি, বিস্তর ইচ্ছা আছে এই rapidly running টপিক নিয়ে পড়াশোনা করার, তার জন্য EEE’র দরজা সদা উন্মুক্ত।

৪র্থ বর্ষে VLSI সার্কিট ডিজাইন এর উপর ২টি কোর্স রয়েছে। এই জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে বিভিন্ন চিপ ম্যানুফ্যাকচারিং এবং চিপ টেস্টিং কোম্পানিতে রয়েছে চাকরির সুযোগ।

3.Telecommunication, যোগাযোগ নিয়ে কাজকারবার। মোবাইল ফোন কোম্পানিতে মাঝের কয়েক বছর EEE ইঞ্জিনিয়ারদের বিশাল চাহিদা ছিলো। আমাদের মত দেশে নতুন নতুন নেটওয়ার্ক, টাওয়ার, কভারেজ তৈরিসহ সমগ্র সিস্টেম ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে আছে বিপুল সংখ্যকEEE ইঞ্জিনিয়ার। শুধু এক Grameenphone এই এখন কাজ করছে প্রায় ৫ হাজার প্রকৌশলী, যার বেশিরভাগই ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ব্যাকগ্রাউন্ডের। তাছাড়া বিভিন্ন কর্পোরেট জব এর ভালো সুযোগ রয়েছে । ইউনিলিভার ,বাংলালিংক, রবি সহ আরো অনেক নামকরা জায়গায় কাজের সুযোগ বিদ্যমান । যত নতুন নতুন টেকনোলজি আসবে, অত চাহিদা Expand করবে। যারা নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত Telecommunication Engineer হিসেবে দেখতে চাও, তাদের জন্য অবশ্যই EEE.

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রচলিত ট্র্যাক থেকে সরে গিয়ে বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেশিন লার্নিং, ডিপ লার্নিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজ্যান্স, ফোটোনিক্স, প্লাজমোনিক্স প্রভৃতি সেক্টরে যাওয়ার সুযোগ থাকছে।

  • কর্মক্ষেত্রঃ

১। সরকারী বিভিন্ন বিভাগ-বিদ্যুৎ উন্নয়ন অধিদপ্তর, পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ড, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর, গণপূর্ত বিভাগ, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর, আবহাওয়া অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রভৃতিতে প্রকৌশলী হিসেবে।

২। বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলায় নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে। বিভিন্ন নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ- রাজউক, কেডিএ, সিডিএ প্রভৃতিতে প্রকৌশলী হিসেবে।

৩। রিয়েল এস্টেট কোম্পানি, বিভিন্ন ডেভলপার কোম্পানি,Consultancy ফার্ম, বিভিন্ন বেসরকারী প্রতিষ্ঠান (NGO)।

৪।DESCO, DPDC, EGCB, NESCO, APSCL, PowerGrid Company, West Zone Power Distribution Company, Summit Power সহ অসংখ্য সরকারি- বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরন কোম্পানিতে তড়িৎ প্রকৌশলী হিসেবে।

৫। সামরিক বাহিনী, বিভিন্ন গবেষণা ইন্সটিটিউটে।

৬। সরকারী ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা।

৭।BTCL, PWD, BIWTA, BIWTC, WASA, PDB।

৮।Grameen Phone, Banglalink, Robi, Airtel, Teletalk প্রভৃতি মোবাইল কোম্পানিতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে।

৯।International telecom vendors (যেমন: Ericson, Huawei, Motorola, ZTE ইত্যাদি)।

১০।Apple, NASA, Microsoft, Intel, AMD, Nvidia Nokia, Samsung, Sony, HP, Dell inc এর মত জায়ান্ট কোম্পানীতে।

১১। বর্তমানে সেমিকন্ডাক্টর সেক্টরে বাংলাদেশে বেশ কিছু নতুন কোম্পানির আবির্ভাব হয়েছে। যেমনঃ Neural Semiconductor, Ulkasemi প্রভৃতি।

জেনে অবাক হবে ওয়ালটন হবে বাংলাদেশের প্রকৌশল গবেষণার কেন্দ্র। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে ওয়ালটন কারখানায় গবেষণা ও কাজের সুযোগ পাবেন দেশের মেধাবী মানুষেরা। আগামি দিনে যারা দেশকে নেতৃত্ব দেবেন। ‘ব্রেইন ড্রেইন’ হয়ে দেশের মেধা পাচার হবে না। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের উচ্চ প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন খাত লিখবে নতুন ইতিহাস। দেশের শিল্পোন্নয়নে দেশের মেধা কাজে লাগবে। এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে দেশের চারটি প্রকৌশল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি করেছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

ওয়ালটনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি হলো ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি)।

  • Lab Facilities:
  • Electrical Machine Lab
  • Power Systems Lab
  • Switchgear and Protection Lab
  • Microprocessor and Micro-controller Systems Lab
  • Control System Lab
  • Digital Electronics Lab
  • Measurements and Instrumentation Lab
  • Electronics Lab
  • RF and Microwave Lab
  • Telecommunication Lab
  • Signal Processing Lab
  • VLSI Circuits Lab.

 

  • Research Opportunities:

EEE পাঠ্যক্রম এ থিসিস এর জন্য বাধ্যতামূলক ভাবে চতুর্থ বর্ষে ৬ Credit বরাদ্দ রয়েছে। এছাড়াও IUTPRG(IUT Photonics Research Group) সফলভাবে Photonics এর উপর বিভিন্ন পেপার প্রকাশ করে আসছে।

https://sites.google.com/iut-dhaka.edu/iutprg/

সম্মানিত ফ্যাকাল্টিগণ কর্তৃক প্রকাশিত পেপার সমূহ পেয়ে যাবে এই লিংকে-

https://eee.iutoic-dhaka.edu/publications

  • Industrial Training:

৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শেষে এ প্রত্যেক IUT EEE ছাত্রছাত্রীকে Industrial Training এ যেতে হয়।  Industrial Training এর লক্ষ্য হল একজন শিক্ষার্থীকে অভিজ্ঞতা, সরঞ্জাম এবং যন্ত্রপাতিগুলির কার্যকারিতা সম্পর্কে সঠিক ধারণা, বাস্তব জীবনের পরিস্থিতিতে প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং প্রকৌশল পদ্ধতি প্রয়োগ করার ক্ষমতা এবং অন্যান্য প্রকৌশল পেশাদারদের সাথে কাজ করার ক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করা। এটি একজন স্নাতককে দায়িত্ব নেওয়া, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রয়োগ করার ক্ষমতা প্রদর্শন করতে সহায়তা করে। চার সপ্তাহের Industrial Training B.Sc এর একটি বাধ্যতামূলক উপাদান।

  • Ghorashal Thermal Power Station (GTPS)
  • Bangladesh Power Development Board (BPDB)
  • Bangladesh Telecommunications Company Limited (BTCL)
  • Center for Research Reactor (CRR), Bangladesh Atomic Energy Commission (BAEC), Savar
  • Robi, Banglalink

ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং এর সুযোগ থাকছে।

  • Higher Studies Opportunities:

গ্রাজুয়েশন শেষ করার পরে উচ্চ শিক্ষার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বের নামকরা প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়তে পেয়ে যেতে পারো IUT EEE Alumni.

যেমনঃ University of Cambridge, Columbia University, McGill University সহ বিশ্বের নামকরা সকল বিশ্ববিদ্যালয়।

Extracurricular Activities:

EEE সম্পর্কিত কিছু সোসাইটি যেখানে তোমরা যুক্ত হতে পারো ।

IEEE RAS- IEEE Robotics and Automation Society

IUTRS- IUT Robotics society

IEEE IUT Student Branch

তাছাড়াও সাথে যুক্ত হতে পারো IUT Mars Rover Team- ‘Project Altair’ এ, যারা মূলত Mars Rover নিয়ে কাজ করে। Mars rover এর Electrical Subteam এর কাজ গুলো সাধারণত EEE Departemnt এর ছাত্রছাত্রীরা করে থাকে। আরো রয়েছে Project Aero নামক ড্রোন project  এর সাথে কাজ করার সুযোগ।

IUT EEE department প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনে উৎসাহিত করার জন্য আয়োজন করে departmental ফেস্টিভাল ‘ESONANCE’।

লাল স্বর্গে তোমাদের স্বাগতম।

 

মূলঃ Abdullah Al Baki  (EEE 19)

 

ঈষৎ পরিমার্জন এবং পরিবর্ধনঃ

Abdullah Abrar  210021206 (EEE21)

Jabir Ahmad Jahin Bhuiyan 210021134 (EEE21)

 

You cannot copy content of this page